সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

জামখলা হাওরের জলাবদ্ধতা অবিলম্বে দূর করুন

  • আপলোড সময় : ১২-০২-২০২৫ ১১:৫৬:২২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১২-০২-২০২৫ ১১:৫৬:২২ অপরাহ্ন
জামখলা হাওরের জলাবদ্ধতা অবিলম্বে দূর করুন
সমস্যাটা জলাবদ্ধতার। হাওর থেকে জল সরছে না। সমস্যাটা সৃষ্টি হয়েছে বাঁধের কারণে। এখানে বাঁধ অবশ্য হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ। গত বুধবারের (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দৈনিক সুনামকণ্ঠের একটি সংবাদপ্রতিবেদন বলছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের জামখলা হাওরের ভুক্তভোগীরা বলছেন, “ইউএনও স্যার বলছেন বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশন করা যাবে না। আমরা দায়িত্ব নিয়ে বাঁধ কেটে পানি বের করার পর আবার সুরক্ষিতভাবে বাঁধ বেধে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ার পরও ইউএনও স্যার অনুমতি দিচ্ছেন না।” এতে করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশন করা না গেলে জলাবদ্ধতা লেগেই থাকবে, ক্ষেতে চারা লাগানো যাবে না, ফসলও ফলবে না। বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে ফসল ফলাতে না পারলে এমন বাঁধ দিয়ে দরকার কী? দরকার যে নেই, সেটা কৃষক সাধারণের বোধগম্য হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বোধগম্য নয়, বলেই বোধ হচ্ছে। আমরা তাঁকে আপাতত অভিযুক্ত করছি না, বরং নিবেদন করছি তিনি যেনো বাঁধ কেটে হোক বা না-কেটে হোক, সম্ভাব্য যে-কোনও উপায়প্রকারে হাওরের জলাবদ্ধতার নিরসন করেন এবং তা করতে হবে ঘাত অর্থাৎ ক্ষেতে চারা রোপণের সময় পেরিয়ে যাওয়ার আগে। অবশ্য বাঁধ অক্ষত রেখে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার নিরসন কোনও অলৌকিক উপায় ব্যতীত অন্যকোনও বাস্তব উপায়ে সম্ভব নয়। কারণ বাঁধের কারণেই এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না যে, এই জলাবদ্ধতার নিরসন না হলে হাওর পতিত থাকবে, প্রকারান্তরে কৃষকের ঘরে ফসল উঠবে না, দেশের খাদ্যোৎপাদন কমবে, দেশে খাদ্যঘাটতি দেখা দেবে এবং সংশ্লিষ্টরা তার জন্য অবশ্যই দায়ি হবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স